হাম হলে করণীয় । হামের চিকিৎসা । Measles treatment

হাম হলে করনীয়। হামের চিকিৎসা


হাম কি 

হাম (Measles) হলো রুবেলা (Rubeola)  ভাইরাসের সংক্রমনে সৃষ্ট এক প্রকার ছোঁয়াচে রোগ। এই রোগ প্রধানত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এটি শ্বসন তন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং ত্বকে ফুসকুড়ি বা র‌্যাস সৃষ্টি করে। 


হাম রোগের লক্ষণ

দেহে হামের ভাইরাস প্রবেশের ৭-১৪ দিন পর হামের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়

১/ শুরুতে সর্দি-কাশি হয়। একটানা কাশি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে

২/ চোখ লাল হয়ে যায়, পানি পড়ে এবং আলো সহ্য হয় না

৩/ জ্বর ১০৪°F বা তার বেশি হতে পারে

৪/ জ্বরের ২-৩ দিন পর মুখের ভেতর, বিশেষ করে গালের ভেতরের দিকে ছোট ছোট সাদা দাগ দেখা দে

৫/ সাধারণত ৩-৫ দিন পর শরীরজুড়ে লালচে-বাদামী রঙের ফুসকুড়ি বা র‌্যাস ছড়িয়ে পড়ে।

৬/ শরীর খুব দুর্বল লাগে এবং খাওয়ার রুচি কমে যায় 


আরও জানতে পড়ুন 

এলার্জি দূর করার উপায় 


হাম কি ছোঁয়াচে রোগ  

হাম ভাইরাসজনিত রোগ। এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায় এবং সহজেই সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই সংক্রমিত হতে পারে ।

হাম আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি শ্বাস বা স্পর্শের মাধ্যমে সুস্থ ব্যক্তিতে সংক্রমিত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি চলে যাওয়ার পরও ভাইরাসের ফোঁটা বাতাসে প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে


হাম হলে করণীয়

হাম হলে .....
1/ রোগীকে সম্পূর্ন বিশ্রামে রাখতে হবে
2/ প্রচুর পরিমানে পানি, ডাবের পানি ও খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে
3/ সহজপাচ্য, নরম ও পুষ্টিকর খাবার যেমন- স্যুপ, খিচুুড়ি ও ফলের রস খাওয়াতে হবে
4/ চোখ লাল হলে গরম পানি ‍দিয়ে আলতো করে চোখ পরিষ্কার করে ‍দিতে হবে
5/ হাম বের হওয়ার পর আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্তত ৪ দিন অন্য সবার থেকে আলাদা রাখতে হবে

হামের চিকিৎসা 

হাম ভাইরাসঘটিত রোগ । কোন এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে ক্রিয়া করে না। আবার এর জন্য কোন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধও নেই। 
হামের জন্য হোমিওপ্যাথি লক্ষণভিত্তিক কার্যকরী চিকিৎসা প্রদান করে। হামের বিভিন্ন পর্যায়ে লক্ষণের উপর ভিত্তি করি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নির্বাচন করা হয়। 

আরও জানতে পড়ুন 

টিউমার হলে করনীয় 


হামের হোমিও চিকিৎসা

হামের চিকিৎসার জন্য হোমিওপ্যাথিতে অনেকগুলো কার্যকরী ওষুধ আছে। এর মধ্যে আছে Aconite, Apis mel, Bryonia, Euphreshia, Pulsatilla, Sulphur ইত্যাদি । বিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রোগীর লক্ষণগুলো পর্যবেক্ষণ করে রোগীর জন্য একটিমাত্র ওষুধ নির্বাচন করে প্রয়োগ করেন। 
সুনির্বাচিত একটি মাত্র ঔষধ রোগীদেহে সামগ্রীকভাবে কাজ করে এবং তার সমস্ত কষ্টগুলো অপসারন করে । এর ফলে রোগীর দেহতন্ত্রে শৃঙ্খলা ফিরে আসে । রোগীর ভাললাগা-বোধ আবার জাগ্রত হয়। সে তার পূর্বস্বাস্থ্য ফিরে পায়।

হামের হোমিও চিকিৎসা


সুচিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন


ডা মো নাছির উদ্দিন খান।

BSc(Hon's), MSc(Zoology), DHMS(Dhaka)

Govt Reg. 24253

ক্লাসিক্যাল হোমিও হল , বেগম মসজিদ মার্কেট ,নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর 

01816885341


Healthy Life Helpline



Post a Comment

0 Comments