মেয়েদের মাসিক হয় কেন
মেয়েদের মাসিক একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া যা প্রতিমাসে শরীরকে গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত করে। সুস্থ মেয়েদের জরায়ুর ভেতরের স্তর এন্ডোমেট্রিয়াম প্রতি মাসে হরমোনের প্রভাবে পুরো হয়। গর্ভধারণ না হলে এই আস্তরণ ভেঙ্গে রক্ত ও টিস্যু হিসেবে যোনিপথ দিয়ে বের হয়ে আসে । একেই পিরিয়ড বা মাসিক বলে। এটি সাধারণত ১১-১৪ বছর বয়সে শুরু হয় এবং ৪০-৫০ বছর বয়স পর্যন্ত চলতে থাকে।
মেয়েদের মাসিক হয় কিভাবে
সুস্থ মেয়েদের জননাঙ্গে যৌবনের শুরু থেকে একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত চক্রাকার পরিবর্তন সাধিত হয়। স্বাভাবিকভাবে এই চক্রটি ২৮ দিনে হয়ে থাকে। ডিম্বাশয়ে প্রতি রজ:চক্রে একটি ডিম্বাণু পরিপক্ক হয়। পরিপক্ক ডিম্বানুটি ডিম্বাশয় থেকে বের হয়ে ডিম্বনালির মাধ্যমে জরায়ুর দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এই সময় শক্রানুর সাথে মিলন হলে ভ্রুন গঠিত হয়। সেই ভ্রুন জরায়ুর ভিতরে আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে। এই অবস্থাকে বলা হয় গর্ভধারণ।
গর্ভধারণের জন্য জরায়ু প্রতি রজ:চক্রেই প্রস্তুতি গ্রহণ করে। কিন্তু শুক্রানু ডিম্বানুর মিলন না হলে গর্ভধারণ হয় না। তখন জরায়ুর ভিতরের দেয়াল এন্ডোমেট্রিয়াম নষ্ট হয়ে যায়। এই সময় জরায়ু থেকে রক্ত মিউকাস সহ জরায়ুর নষ্ট টিস্যু যোনিপথে বের হয়ে আসে। একে মাসিক রক্তস্রাব বা রজস্রাব বলে।
আরও পড়ুন
এলার্জি দূর করার উপায়
মাসিকের বিশৃঙ্খলা
সব মেয়ের মাসিক স্বাভাবিক ভাবে হয় না। বড় মাসিকে নানা রকমের বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। যেমন -
সময় মতো হয় না , অনেক আগে বা অনেক পরে হয়।
পরিমান মতো রক্ত যায় না , সামান্য রক্ত গিয়ে বন্ধ হয়ে যায় ।
অতিরিক্ত রক্ত যায় এমনকি শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
একবার শুরু হলে আর শেষ হয় না ।
প্রচন্ড ব্যথা হয় , রোগী চিৎকার করে কান্না করে।
বিস্তারিত দেখুন
এই ভিডিওতে https://youtu.be/vehelF6UwO4
মাসিক না হওয়ার কারণ
মাসিক না হওয়া, বন্ধ থাকা সহ সব ধরনের বিশৃঙ্খলার অনেকগুলো কারণ আছে। যেমন -
হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া
শারীরিক দুর্বলতা ও রক্ত শূন্যতা
নানারকম শারীরিক অসুস্থতা
ইত্যাদি
মাসিক বন্ধ হলে করনীয়
মাসিক বন্ধ হওয়া সহ মাসিকের সব ধরনের বিশৃঙ্খলায় আমাদের করণীয় হলো, একজন যোগ্য বিজ্ঞ ও প্রকৃত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে সঠিক ওষুধ সেবন করা।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় মাসিকের বিশৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে দূর করার অনেকগুলো কার্যকরী ওষুধ আছে।
সঠিক ওষুধ সেবনের ফলে রোগী সুস্থ হবে । তার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে এবং রোগীর মাসিকের সব ধরনের বিশৃঙ্খলা দূর হবে। রোগী স্থায়ীভাবে সুস্থ হবে এবং তার মাসিক প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।
আরও পড়ুন
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা কি ভালো
মাসিক নিয়মিত করার উপায়
মাসিক নিয়মিত স্বাভাবিকভাবে হওয়ার জন্য করনীয় হলো -
সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করা ।
নিয়মিত ঘুমানো এবং বিশ্রাম নেওয়া ।
পর্যাপ্ত কাইক পরিশ্রম ও ব্যায়াম করা ।
নিয়মিত খাবার গ্রহণ করা ।
সব সময় মৌসুমী ফল খাওয়া ।
হাসি খুশি এবং টেনশন মুক্ত থাকার চেষ্টা করা ।
সুচিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন
ডা মো নাছির উদ্দিন খান।
BSc(Hon's), MSc(Zoology), DHMS(Dhaka)
Govt Reg. 24253
ক্লাসিক্যাল হোমিও হল , বেগম মসজিদ মার্কেট ,নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর
01816885341
#healthylifehelpline

0 Comments